১৯৭৩ সালের নির্বাচন সংসদীয় গণতন্ত্রের মৃত্যুঘন্টা বাজিয়েছে

১৯৭৩ সালের নির্বাচন সংসদীয় গণতন্ত্রের মৃত্যুঘন্টা বাজিয়েছে

১৯৭৩ সালের নির্বাচন সংসদীয় গণতন্ত্রের মৃত্যুঘন্টা বাজিয়েছে

“… ১৯৭৩ এর মার্চে সংবিধানের ভিত্তিতে নির্বাচন হল। নির্বাচনে ভাসানী ন্যাপ, জাসদ ও অন্যান্য পার্টি অংশগ্রহণ করে। লেনিনবাদী কমিউনিস্ট পার্টির…

বিশ্বাসঘাতকতার অনন্য নজীর ৮৬’র নির্বাচন

বিশ্বাসঘাতকতার অনন্য নজীর ৮৬’র নির্বাচন

“… পত্রিকায় জানতে পারি আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা এককভাবে এরশাদ ঘোষিত সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আমি ওয়ার্কিং কমিটির সদস্য ছিলাম বিধায় এই সিদ্ধান্ত পত্রিকায় পড়ে বিস্মিত হই।  তিনি প্রেসিডেন্ট এরশাদের সাথে ব্যক্তিগতভাবে আলোচনা করে এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন। তখন বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে সাত-দল আন্দোলনে মাঠে ছিল। বেগম খালেদা জিয়া এই নির্বাচনের প্রতিবাদ করে নির্বাচন বয়কট করেন।  উল্লেখ্য, ৮ দলের নেতৃত্বে ছিলেন আওয়ামী লীগ ও তার সভানেত্রী শেখ হাসিনা। এই নির্বাচনের সময় আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে এরশাদের নিকট থেকে ৯ কোটি টাকা অর্থ গ্রহণের অভিযোগ পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। এই সংসদ নির্বাচনে আমিও প্রার্থী ছিলাম বিধায় সভানেত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে আর্থিক সাহায দাবি করেছিলাম।  শেখ হাসিনা আমার দাবি প্রত্যাখ্যান করে বলেছিলেন – আওয়ামী লীগের ফান্ডে কোন টাকা-পয়সা নেই। এ সময় গুলশানে বসবাসকারী ভারতের গুজরাট থেকে আগত বাংলাদেশের নাগরিক শিল্পপতি আজিজ সাত্তার সাহেবের সাথে আমি দেখা করি। তিনি শহীদ সোহরাওয়ার্দী সাহেবের একজন ভক্ত ও সমর্থক ছিলেন।  তার কাছে আমি নির্বাচনের জন্য কিছু আর্থিক সাহায্য অথবা নির্বাচনে ব্যবহারের জন্য একটি গাড়ি চেয়েছিলাম। ত্খন তিনি আমাকে বলেছিলেন, তিনি এরশাদ প্রদত্ত নির্বাচনী অর্থ শেখ হাসিনার নিকট দিয়েছেন। তার পক্ষে কোন সাহায্য করা সম্ভব নয়। এ কথা শুনে আমার আর কিছু বুঝতে বাকি রইল না॥”       গত রাতে ( ২০ মার্চ ১৯৮৬) এরশাদের সাথে পনের দলের…

বাকশালকে সিপিবি ‘শোষিতের গণতন্ত্র’ বলে উল্লেখ করলো

বাকশালকে সিপিবি ‘শোষিতের গণতন্ত্র’ বলে উল্লেখ করলো

১৯৭৫ সালের জানুয়ারী মাসে সংসদে কুখ্যাত চতুর্থ সংশোধনী পাস হলো মাত্র দশ মিনিটে। এটা বাকশাল ব্যবস্থা। এই চতুর্থ সংশোধনীর দ্বারা …