প্রিয়ভাষিণীকে কোলাবরেটরের অভিযােগ এনে চাকরিচ্যুত করা হয়

প্রিয়ভাষিণীকে কোলাবরেটরের অভিযােগ এনে চাকরিচ্যুত করা হয়

“… বাংলাদেশের বিশিষ্ট ভাস্কর শিল্পী ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণী মুক্তিযুদ্ধের নয় মাস খুলনার ক্রিসেন্ট জুট মিলে কর্মরত অবস্থায় পাকফৌজ ও তাদের সহযােগীদের…

ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য জনগনের ভোটই একমাত্র বিকল্প নয়

ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য জনগনের ভোটই একমাত্র বিকল্প নয়

:: মুজতবা খন্দকার :: শেখ হাসিনা টানা তিনবারের প্রধানমন্ত্রী, তাকসিম এ খান টানা পাঁচবারের ওয়াসা এমডি। কাজী সালাহউদ্দীন টানা গতবার…

রবীন্দ্রনাথ আমাদের কবি নন

রবীন্দ্রনাথ আমাদের কবি নন

:: সাহাদত হোসেন খান :: রবীন্দ্রনাথ কখনো আমাদের কবি নন। তিনি বাঙ্গালি মুসলমানদের প্রতিটি স্বার্থের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। বঙ্গভঙ্গ ছিল পূর্ববঙ্গের…

স্বপন চৌধুরী অন্তর্ধান রহস্য

স্বপন চৌধুরী অন্তর্ধান রহস্য

ইনুর বক্তব্য “… চট্টগ্রামের ছাত্রলীগ নেতা স্বপন চৌধুরী (১৯৭০ সালের ১২ আগস্ট ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সভায় স্বাধীন সমাজতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার…

হাসিনার তুলনা কেবল হাসিনাই

হাসিনার তুলনা কেবল হাসিনাই

আওয়ামী লীগ তার জন্মলগ্ন থেকেই দ্বৈধতার সংকটে ভুগছে। জন্মলাভের সময়ে সরকারী মুসলিম লীগের অপশাসনের বিরুদ্ধে জনগণের তথা আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠন করা হয়। কিন্তু ভোট ব্যাংককে পকেটে ভরার জন্য এক সময়ে আওয়ামী মুসলিম লীগ নাম থেকে ‘মুসলিম’ শব্দটি ছেঁটে ফেলা হয়। নতুন চেহারা ধারণ করার নামে দলটির নতুন নাম ‘আওয়ামী লীগ’ সাব্যস্ত হয়। নামে কী বা আসে যায়। গোলাপকে যে নামেই ডাকো, গোলাপ গোলাপই। আওয়ামী মুসলিম লীগ আওয়ামী লীগ নামে নিজেকে যতই সেক্যুলার হিসেবে জাহির করার চেষ্টা করুক না কেন, সংগঠনটি যে মূলত সংখ্যাগরিষ্ঠ বাঙালী মুসলমানের অর্থবিত্ত ও বৈভব অর্জনের একটি হাতিয়ার হিসেবে কাজ করেছে, একথা অস্বীকার করা ইতিহাসকেই অস্বীকার করা। মুসলমানদের আওয়ামী লীগ যতই হিন্দুদের আস্থা অর্জনের জন্য নানা কসরত করেছে, ততই লক্ষ্য করার বিষয়, তারা অধিক পরিমাণে যত্নবান হওয়ার চেষ্টা করেছে নিজেদের খাঁটি মুসলমান হিসেবে জাহির করার। আর এ জন্যই বহু আওয়ামী নেতা-কর্মীকে দেশী কোট তথা মুজিব কোট পরিধানের পাশাপাশি টুপি পরতে এবং মুখে দাড়ি রাখতে দেখা যায়। অনেককে নামাজ-রোজার প্রতিযোগিতায়ও নেমে পড়তে দেখা যায়। হজ করার বিষয়েও এরা পিছিয়ে নেই। নামের আগে বাহারী ঢঙে ‘আলহাজ’ এবং ‘হাজী’ শব্দদ্বয় এরা বেশ ঢাকঢোল পিটিয়েই ব্যবহার করে থাকেন। আমরা যারা শেখ হাসিনার রাজনীতি ও তার কলাকৌশলের সাথে একমত নই, আমাদেরও একথা  স্বীকার করতেই হবে যে, হাসিনার কোন বিকল্প নেই। হাসিনার তুলনা কেবল হাসিনাই।কেউ তাকে পছন্দ করুক আর না করুক, তার কথা ও কাজে খুব একটা গরমিল খুঁজে পাওয়া যায় না।অবশ্য যারা তার কথা ও কাজ বুঝতে অক্ষম, তাদের কাছে মনে হতে পারে যে, হাসিনার কথা ও  কাজে অনেক গরমিল রয়েছে। তবে, কালের আবর্তে হিন্দু ভোটের তোয়াজ করতে গিয়ে এবং একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতের প্রতি আনুগত্য দেখাতে গিয়ে সেক্যুলারিজমের সমর্থক সাজার নামে ধর্ম নিয়ে আওয়ামী লীগের বাড়াবাড়ি এদেশের সরলপ্রাণ মানুষের ধর্মানুভূতিতে যেভাবে আঘাত করেছে তাতে সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক ধারণা জন্মেছে যে, আওয়ামী লীগ ধর্মহীনতায় বিশ্বাসী এবং ইসলামের বিরুদ্ধ শক্তি। অথচ এই আওয়ামী লীগ, যার নেতা শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭০ সালে অখন্ড পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচনে জনগণের কাছে ওয়াদা করেছিলেন যে, ক্ষমতায় গেলে তিনি ও তার দল কোরআন ও সুন্নাহর পরিপন্থী কোন আইন প্রণয়ন করবেন না। কিন্তু বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের পরপরই ইসলামের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানোই আওয়ামী লীগের অন্যতম কাজে পরিণত হল। … আওযামী লীগের জাতীয় স্বার্থ বিকিয়ে দেয়া, মানুষের ধর্মানুভূতিতে আঘাত করা, একদলীয় শাসন ব্যবস্থার মাধ্যমে গণতন্ত্রকে হত্যা করা, লুটপাট ও দূর্নীতির লীলাভূমিতে দেশকে পরিণত করা, সর্বোপরি, অনাহার ও দুর্ভিক্ষের কবলে দেশকে নিক্ষেপ করা – এসকল গণবিরোধী, জাতিবিরোধী কর্মকান্ড মানুষের চরম ঘৃণা ও ধিক্কারের উদ্রেক করে। আর তাই যখন সীমালঙ্ঘন করে আওয়ামী লীগ দেশের মানুষকে স্থায়ী গোলামে পরিণত করতে উদ্যত হ্য়, প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়মে আওয়ামী শাসকগোষ্ঠী সবংশে নির্মূল হয়ে যায়। আওয়ামী দু:শাসনের অবসানের পর থেকে জাতি গঠন ও গণতন্ত্র বিনির্মাণে এ দেশের মানুষ বহু চড়াই-উৎরাইয়ের মধ্য দিয়ে যখন বিজয়ের সম্ভাবনার দ্বারে উপনীত হয়, তখনই ভারতীয় আগ্রাসী শক্তি ও তাদের এদেশীয় চর ও নিয়োগীদের মদদে ১৯৯৬-এ আওয়ামী লীগ পুনরায় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হতে সক্ষম হয়। আগেই বলেছি, আওয়ামী লীগ জন্মের পর থেকেই দ্বৈধতার সংকটে ভুগছে। পুঁজিবাদে বিশ্বাসী হয়েও সমাজতন্ত্রের বুলি তাদের কপ্চাতে হয়েছে। ধর্মবিশ্বাসকে আঁকড়ে ধরেও ধর্মহীনতার প্রচার ও প্রসারকে উৎসাহিত করতে গভীর আগ্রহ দেখাতে হচ্ছে। এতে কাদের লাভ, আজ তা ভেবে দেখার সময় এসেছে। … আওয়ামী লীগের পাশাপাশি দেশের বৃহত্তম বিরোধী রাজনৈতিক দল বিএনপিকেও অনেক সময়ই আত্মরক্ষামূলক অবস্থান গ্রহণ করতে দেখা যায়। ব্রাহ্মণ্যবাদ ও ভারতীয়দের তুষ্ট করার জন্য বিএনপিকেও অনেক সময় বলতে শোনা যায়, আমরা মৌলবাদী নই। অথচ আওয়ামী লীগ যাদের মৌলবাদী হিসেবে চিহ্নিত করে, বিএনপি ক্ষমতা লাভের আশায় তাদের সঙ্গে ঐক্য মোর্চা করেছে। আসলে রাষ্ট্র্ঘাতী চক্রের প্রচারমাধ্যমের কৌলিণ্যে এবং ব্রাহ্মণ্যবাদী, ধর্মবিরোধী কুচক্রীরা আমাদের চিন্তা ও কৃষ্টির জগতে যে সর্বাধিপত্য প্রতিষ্ঠা করে রেখেছে, তার ফলে আমাদের অনেকের মধ্যেই ধর্মানুরাগ ও ধর্মবিশ্বাসকে কেন্দ্র করে এক ধরণের হীনমন্যতা জন্ম নিয়েছে। যে কোন সভ্য জাতি ধর্মের অপব্যবহার ও অসদ্ব্যবহার ঘৃণার চোখে দেখে। কিন্তু ধর্মনিষ্ঠ মানুষের ধর্মানুরাগ, ধর্মবিশ্বাস ও ধর্মীয় মূল্যবোধ তার জীবনাচার থেকে সে বাদ দিতে পারে না। আজ মাদ্রাসা-মসজিদের ওপর যে নগ্ন হামলা নেমে এসেছে, দেশব্যাপী ওলামা-মাশায়েখদের বিরুদ্ধে যে বিষোদগার হচ্ছে, এবং ইসলামী মূল্যবোধ নির্ভর রাজনৈতিক সংগঠনের বিরুদ্ধে যে ফ্যাসিস্ট অভিযান চালানো হচ্ছে তা কোন অবস্থাতেই একটি বহুবাচনিক গণতান্ত্রিক সমাজ বিকাশের সহায়ক হতে পারে না। এ এক অসুস্থ রাজনীতির পরিচায়ক॥” – আফতাব আহমাদ ( দৈনিক ইনকিলাব – ০১ মার্চ, ২০০১ ) – দু:সময়ের কথাচিত্র : সরাসরি / মাহবুব উল্লাহ-আফতাব আহমাদ ॥ [ বাড কম্প্রিন্ট এন্ড পাবলিকেশন্স – ফেব্রুয়ারি, ২০০২ । পৃ: ৬২৫-৬২৭ ] ০৩ “… মনে রাখা দরকার, গণঅভ্যুত্থান কখনও জানান দিয়ে আসে না। কারো হুংকারেও গণঅভ্যুত্থান সূচিত হয় না। গণঅভ্যুত্থানের জন্য অবশ্য পূর্বশর্ত হল, শাসকগোষ্ঠীর মারাত্মক গণবিচ্ছিন্নতা, শাসকগোষ্ঠীর অভ্যন্তরে প্রকট দ্বন্ধ এবং এই বাস্তব অবস্থাকে কাজে লাগানোর মত প্রতিপক্ষের সাংগঠনিক ও রাজনৈতিক পারঙ্গমতা। বাংলাদেশে প্রথম দুটি শর্ত পূরণ হলেও তৃতীয় শর্তটি অত্যন্ত দূর্বল হওয়ার কারণে যা ঘটার কথা ছিল, তা ঘটেনি। সম্ভবত এখানেই শাসকদলের সার্থকতা। যখনই সাধারণ মানুষের সঙ্গে আলাপ করেছি, তখনই সাধারণ মানুষের পক্ষ থেকে একটি দৃষ্টান্তের উল্লেখ করতে শুনেছি। বেগম খালেদা জিয়া যখন সরকারে অধিষ্ঠিত ছিলেন, তখন একের পর এক লাগাতার হরতাল ও অবরোধের কর্মসূচী দিয়েও আওয়ামী লীগ ও তার মিত্ররা তেমন সুবিধা করতে পারছিলো না, এই অবস্থায় হঠাৎ করে যেন সৃষ্টিকর্তার অভিপ্রায়েই পুলিশ কর্তৃক দিনাজপুরে ইয়াসমিন ধর্ষণের ঘটনাটি ঘটল। দিনাজপুরে ঘটে গেল তুলকালাম কান্ড। ইয়াসমিন ধর্ষণের ঘটনায় দিনাজপুরে গণবিদ্রোহের সূচনা হল। কিন্তু শাসকদল বিএনপির পক্ষ থেকে ঘটনাটিকে যথাযথভাবে হ্যান্ডল না করার ফলে পরিস্থিত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়েছিল। সে সময়ে দিনাজপুরের এসপি ঘটনা সম্পর্কে এবং ঘটনার ভয়াবহতা সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়কে সময়মত, যথাযথভাবে ব্রিফ না করার ফলে এবং তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে সরকারের ব্যর্থতার ফলে পরিস্থিত সত্যি সত্যি সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। থানা, পুলিশ ফাঁড়িতেও জনতা আগুন ধরিয়ে দেয়। পুলিশ আত্মরক্ষার্থে পলায়ন করে। গণবিক্ষোভ সম্পর্কে আমলাতান্ত্রিক তথ্যের উপর নির্ভরশীলতা সরকারকে কত বিভ্রান্ত করতে পারে, দিনাজপুরের ইয়াসমিনের ঘটনা তারই প্রমাণ। অথচ সেই সময়ে যদি রাজনৈতিক চ্যানেল থেকে তথ্য সরবরাহ করা হত, তাহলে হয়তো ঘটনা এত ভয়াবহ রূপ লাভ করত না। বর্তমান সরকারের আমলে শুধু একটি ইয়াসমিনের ঘটনা নয়, বহু ইয়াসমিনকে হয় পুলিশ না হয় ধর্ষণকারীদের হাতে সম্ভ্রম বিলিয়ে দিতে হযেছে কিংবা পরিণতিতে মৃত্যুবরণ করতে হযেছে। দূর্ভাগ্যের বিষয়, এ রকম কোন ঘটনার বিরুদ্ধেই দিনাজপুরের মত পরিস্থিতির সৃষ্টি করা সম্ভব হয়নি। বিরোধী দলগুলির ব্যর্থতার অন্যতম উৎস হল, পত্র-পত্রিকার ওপর নিয়ন্ত্রণহীনতা। আজকের বাংলাদেশে বিপুল সংখ্যক দৈনিক ও সাপ্তাহিক পত্রিকা প্রকাশিত হয়; দুয়েকটি ব্যতিক্রম বাদ দিলে কোনটির ওপরই বিরোধী দলগুলোর তেমন কোন প্রভাব নেই। বস্তুত বলা যায়, আজকাল যেসব পত্র-পত্রিকা প্রকাশিত হয়, তার বেশীরভাগই বিরোধীদল বিরোধী পত্রিকা। দুয়েকটি পত্রিকা গত কয়েক মাস ধরে সরকারের অপশাসনের চিত্র তুলে ধরলেও এগুলোর আসল উদ্দেশ্য সম্পর্কে নিশ্চিত করে কিছু বলা যায় না। এসব পত্রিকায় সুযোগ পেলেই বিরোধীদলীয় নেত্রী ও বিরোধীদল সম্পর্কে ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ সম্বলিত কার্টুন, সম্পাদকীয়, উপসম্পাদকীয় প্রকাশ করে। খোদ প্রধানমন্ত্রী নিজে এসব পত্রিকা সম্পর্কে উষ্মা প্রকাশ করেছেন। কিন্তু দেশে বিরোধী দলগুলো কী চান্, সেটা স্পষ্ট নয় বলে জনগণ বস্তুত বিভ্রান্ত হচ্ছে। আগেই বলেছিলাম, প্রকৃতিতে শুন্যতা বলে কিছুই থাকে না। ১৯৫৭ সালে মওলানা ভাসানী যখন ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি গঠন করেন, তখন তার দাবী ছিল, পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত প্রদেশগুলোর জন্য পূর্ণ আঞ্চলিক স্বায়ত্তশাসন কায়েম এবং স্বাধীন ও জোটনিরপেক্ষ পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ। এসব প্রশ্নকে কেন্দ্র করেই রাষ্ট্রনায়ক হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর সঙ্গে মওলানা ভাসানীর মতপার্থক্য সৃষ্টি হয়েছিল। ঐতিহাসিক কাগমারী সম্মেলনে মওলানা ভাসানী পশ্চিম পাকিস্তানের প্রতি ‘আসসালামু আলাইকুম’ জানিয়েছিলেন। মওলানা ভাসানীর বিরুদ্ধে বড় বড় কাঠের হরফে তারই প্রতিষ্ঠিত ইত্তেফাক পত্রিকায় তাকে ভারতের চর ও রাশিয়ার দালাল হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছিল। মরহুম সোহরাওয়ার্দী মওলানার জোটনিরপেক্ষ পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণের দাবীকে শুন্য+শুন্য = শুন্য এই সমীকরণের ফল উল্লেখ করে বাতিল করে দিয়েছিলেন। আর এবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার তথাকথিত ভোটচোর+স্বৈরাচার+রাজাকার = শুন্য এই সমীকরণ দিয়ে বিরোধীদলের আন্দোলনকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিলেন। তিনি হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর বিখ্যাত সমীকরণটিকে বর্তমান পর্যায়ে কিভাবে পুনর্মার্জন করে ব্যবহার করা যায়, সে ব্যাপারে প্রচন্ড প্রত্যুৎপন্নমতিতার প্রমাণ দিয়েছেন॥”…

সাপ্তাহিক 'খবরের কাগজ'-এর বিস্মৃত কাহিনী

সাপ্তাহিক ‘খবরের কাগজ’-এর বিস্মৃত কাহিনী

:: আলী রীয়াজ :: বাংলাদেশের এক সময়ের সর্বাধিক পরিচিত ও প্রচারিত সাপ্তাহিক ‘খবরের কাগজ’-এর সূচনা পর্বের ইতিহাস লেখার ইচ্ছে আমার…

মাহবুবে আলমের সুস্থতা প্রার্থনা করি

মাহবুবে আলমের সুস্থতা প্রার্থনা করি

:: মুজতবা খন্দকার :: মানুষ হিসেবে কোনো মানুষের অনিষ্ট কিম্বা অকল্যাণ চাওয়া কখনোই উচিৎ নয়। বাংলাদেশের অ্যার্টর্নী জেনারেল মাহবুবে অালম…

আইয়ুবী শাসনামলে পাকিস্তান লেখক সংঘে বুদ্ধিজীবীদের ভূমিকা

আইয়ুবী শাসনামলে পাকিস্তান লেখক সংঘে বুদ্ধিজীবীদের ভূমিকা

“… ১৯৫৯ সালের ৩১ জানুয়ারি তদানীন্তন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আয়ুব খানের প্রেরণায় এবং পৃষ্ঠপোষকতায় নিখিল পাকিস্তান ভিত্তিক এই (পাকিস্তান রাইটার্স গিল্ড…

আল্লামা শফী নিজের লড়াইয়ের ছায়া রেখে গেছেন

আল্লামা শফী নিজের লড়াইয়ের ছায়া রেখে গেছেন

:: খন্দকার রাকিব :: বাংলাদেশের রাজনীতির গতি প্রকৃতি নিয়ে আমার খুব শ্রদ্ধেয় একজন মানুষ সারা শাহাবুদ্দিন আপুর একটা লেখা পড়েছিলাম…

জিয়ার অনুসারীদের জিয়ার রাজনীতির কাছেই ফিরতে হবে

জিয়ার অনুসারীদের জিয়ার রাজনীতির কাছেই ফিরতে হবে

:: মারুফ কামাল খান :: রাজনীতি একটি সামষ্টিক উদ্যোগ। রাজনীতি একটি প্লুরালিস্টিক বা বহুবাচনিক কর্মকাণ্ড। রাজনীতি মানে “আমরা”, কখনো “আমি”…